তীব্র শীতে আরও ৭ জনের মৃত্যু

42

রংপুর বার্তা.কম: শীতে কাঁপছে সারা দেশ। তীব্র শীতে রংপুর, কুড়িগ্রাম, সুনামগঞ্জের ছাতক ও কিশোরগঞ্জের মিঠামইনে শিশুসহ আরও ৭ জনের মৃত্যু হয়েছে।

কুড়িগ্রামে শুক্রবার সকালে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৭ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করেছে। বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে শুক্রবার সকাল ৯টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় তাপমাত্রা কমেছে ১ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

রংপুরে ঠাণ্ডায় আগুন পোহাতে গিয়ে দগ্ধ আবদুল করিম (৫০) নামের আরও এক ব্যক্তি চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। এ নিয়ে রংপুর মেডিকেল কলেজে অগ্নিদগ্ধ হয়ে মৃত্যের সংখ্যা দাঁড়াল ৭ জনে।

রংপুর মেডিকেলের বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি বিভাগের প্রধান ডা. মারুফুল ইসলাম জানান, শুক্রবার হাসপাতালের বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি বিভাগে মোট রোগীর সংখ্যা ৫৪ জন। তাদের মধ্যে বেশিরভাগই শীত থেকে বাঁচতে আগুন পোহাতে গিয়ে দগ্ধ হয়ে হাসপাতালে আসা। দগ্ধ এসব রোগীর মধ্যে ৭ জন মারা গেছেন। আশঙ্কাজনক অবস্থায় রয়েছেন আরও ১০ রোগী।

রংপুর আবহাওয়া কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলী জানান, শুক্রবার রংপুরে তাপমাত্রা ছিল ৭ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

সুনামগঞ্জ: ছাতকের হাওরে বোরো ধানের চারা রোপণ করতে গিয়ে শীতের তীব্রতায় আবদুল মনাফ (৬০) নামের এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। তিনি সিংচাপইড় গ্রামের মৃত আজমান আলীর ছেলে।
কিশোরগঞ্জ: মিঠামইন উপজেলার কাঠখাল ইউনিয়নের শান্তিপুর গ্রামে ঠাণ্ডাজনিত রোগে রাজীব (১) নামের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়া একই উপজেলার ঢাকি ইউনিয়নের সোনাপুর গ্রামের শিমুল (৬ মাস) নামের অপর এক শিশুর মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।

কুড়িগ্রাম: কুড়িগ্রামে সর্দি-কাশি-জ্বর-শ্বাসকষ্ট-ডায়রিয়া-নিউমোনিয়াসহ শীতজনিত রোগের প্রকোপ বেড়েই চলেছে। এসব রোগে শিশু ও বৃদ্ধরা আক্রান্ত হচ্ছে বেশি। ফলে হাসপাতালের বহির্বিভাগ ও জরুরি বিভাগে এখন রোগীদের উপচেপড়া ভিড়। এ হাসপাতালে আরও ৩ জনের মৃত্যু ঘটেছে। এ নিয়ে শীতজনিত রোগে এই হাসপাতালে গত ১২ দিনে ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে।