একটি মহল নৌকা ঠেকাতে নেমেছে-নৌকা তাদেরও লাগবে- প্রধানমন্ত্রী

49

রংপুর বার্তা: যেসব রাজনীতিকরা নৌকা ঠেকাতে নেমেছেন তাদের বন্যার সময় রিলিফ বিতরণ করতে ও চলাচল করতে তো নৌকাই লাগবে বললেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, নৌকা কেন ঠেকাতে হবে? নৌকার অপরাধ কি? সামনে শ্রাবণ মাস। বর্ষার সময়, বন্যার সময় নৌকা তো তাদেরও লাগবে।

আমরাই নির্বাচনে স্বচ্ছ ব্যালট বাক্স এনেছি। স্থানীয় ও জাতীয়সহ এ পর্যন্ত যতোগুলো নির্বাচন হয়েছে সবগুলোতে জনগণ ভোট দিয়ে তাদের প্রতিনিধি নির্বাচন করেছে।

শনিবার রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

শেখ হাসিনা বলেন,নৌকায় ভোট দিয়েছে বলে জনগণ ভাষার অধিকার পেয়েছে। দেশ স্বাধীনতা লাভ করেছে। খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়েছে। দেশের উন্নয়ন হয়েছে। স্বল্পোন্নত থেকে উন্নয়নশীল দেশে নাম লিখিয়েছে।

পারমাণবিক ও স্যাটেলাইট যুগে প্রবেশ করেছে। আমার প্রশ্ন নৌকা ঠেকিয়ে কি রাজাকার ও যুদ্ধাপরাধীদের ক্ষমতায় আনবেন? যারা স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রে বিশ্বাস করেন তাদের মুখে একথা মানায় না।

আওয়ামী লীগ সভানেত্রী বলেন, ‘জনগণের ভাগ্য নিয়ে কেউ ছিনিমিনি খেলবে তা আমি বরদাস্ত করবো না। বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে, এগিয়ে যাবে। এগিয়ে যাওয়ার ধারা আমরা যাতে অব্যাহত রাখতে পারি।’ তিনি বলেন, স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে প্রবেশ করায় একটি মহল সমালোচনায় মেতেছে। যারা এটাকে সন্দেহের চোখে দেখে, সমালোচনা করে তাদের সম্পর্কে আমার মনে হয়, তারা দেশের স্বাধীনতা ও অস্তিত্ব শিকার করে না।’

বিএনপির সমালোচনা করে শেখ হাসিনা বলেন,আমরা ১৯৯৬ সালে ক্ষমতায় এসে অনেকগুলো গণমুখী কাজ শুরু করি। বিএনপি ক্ষমতায় এসে সেগুলো বন্ধ করে দেয়। আমরা ২০০৯ সালে ক্ষমতায় এসে আবার তা শুরু করি। বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে। আমাদের লক্ষ্য বাংলাদেশের ‍উন্নয়ন।

গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সম্মাননাপত্র পাঠ করেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। পাঠ শেষে তিনি তা প্রধানমন্ত্রীর হাতে হস্তান্তর করেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও সংসদ উপনেতা সাজেদা চৌধুরী।

শেখ হাসিনার বক্তব্যের আগে সভামঞ্চে সংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হয়। নৃত্য, শেখ হাসিনা নিয়ে গান, কবিতা আবৃত্তি করা হয়। গানের মাধ্যমে সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন চিত্র তুলে ধরা হয়।