রংপুরে চুরি হওয়া ইজিবাইকের ২৮ সেট ব্যাটারী উদ্ধার

31

রংপুর বার্তা.কম:দেশের বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে চুরি হওয়া ইজিবাইকের ২৮ সেট ব্যাটারী রংপুরে উদ্ধার করেছে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ।এসময় চুরির এ ঘটনায় ব্যবহৃত ট্রাক জব্দসহ জড়িত আন্ত:জেলা ডাকাত চক্রের তিন সদস্য গ্রেফতার করা হয়েছে।

শনিবার রাতে মহানগরীর মর্ডাণ তাজহাট থানার পাশের অবস্থিত দুটি প্রতিষ্ঠান থেকে এ সব মালামাল জব্দ করা হয়।

রোববার দুপুরে মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনারের সভাকক্ষে প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান আরপিএমপি কমিশনার মুহম্মদ আবদুল আলীম মাহমুদ।

আবদুল আলীম মাহমুদ বলেন, গত ১৭ নভেম্বর ভোররাতে রংপুর মহানগরীর তাজহাট থানা সংলগ্ন ব্যাটারি চালিত ইজিবাইক ও রিক্সা বিক্রেতা শাহিন আক্তার ও মনিরুজ্জামান মিঠুর দোকানে দুধর্ষ চুরির ঘটনা ঘটে। চোর চক্র একটি ট্রাকে (ঢাকা মেট্রো-ট ১১-৩৬৯৯) করে দু’টি দোকান থেকে ২৮টি ব্যাটারী নিয়ে যায়।

এ ঘটনায় ব্যবসায়ী শাহীন আক্তার সেই দিনই অজ্ঞাতনামা ৭/৮জনকে আসামী করে মামলা দায়ের করেন।
কমিশনার বলেন, ঘটনার দিন সন্ধ্যার পর চুরির ঘটনার রহস্য উদঘাটনে আরপিএমপি’র অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (অপরাধ) শহিদুল্লাহ্ কাওছারের নেতৃত্বে মামলার তদন্তকারী তাজহাট থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) আনোয়ারুল ইসলাম এবং পুলিশ পরিদর্শক (অপারেশন) তাজমিলুর রহমানসহ অন্যান্য পুলিশ সদস্যদের সমন্বয়ে গঠিত একটি তদন্ত সহায়ক দল ঢাকা, খুলনা, সিরাজগঞ্জ ও বগুড়াসহ বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালায়।

সিসি টিভির ফুটেজ সহায়তায় চোরাইকাজে ব্যবহৃত ট্রাক জব্দসহ চুরি হওয়া ১১টি ব্যাটারী উদ্ধার করা হয়।

এসময় চোর চক্রের সদস্য ভোলা জেলার বোরহানউদ্দিন থানার আফছার আলী (৪৫), মুন্সিগঞ্জ জেলার গজারিয়া থানার মাসুদ রানা (৩৫) এবং সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর এলাকার জাকির হোসেনকে (৫০) গ্রেফতার করা হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে চুরির ঘটনায় গ্রেফতার তিনজন সরাসরি জড়িত বলে স্বীকার করেছেন। দীর্ঘদিন ধরে এই চক্রটি সংঘবন্ধভাবে চুরি ও ডাকাতিসহ বিভিন্ন অপরাধ সংঘটন করেছে। বর্তমানে ব্যাটারী চুরির ঘটনায় দায়ের করা মামলাটি তদন্তাধীন রয়েছে এবং জড়িত অন্যান্য আসামীদের গ্রেফতার প্রচেষ্টা অব্যাহত আছে।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (এডিশনাল ডিআইজি) মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান, উপ-পুলিশ কমিশনার (হেডকোয়ার্র্টস) মহিদুল ইসলাম, অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (হেডকোয়ার্র্টস) আব্দুল্লাহ্ আল ফারুক, অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (অপরাধ) শহিদুল্লাহ্ কাওছার, অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (সিটিএসবি) শামীমা পারভীন, সহকারি পুলিশ কমিশনার (স্টাফ অফিসার) এ.কে.এম ওহিদুন্নবী, সহকারি পুলিশ কমিশনার (ডিবি) আলতাফ হোসেন,উপ-পুলিশ কমিশনার (অপরাধ) কাজী মুত্তাকী ইবনু মিনান প্রমুখ।