১৬ জেলার বেসরকারি ভাবে নির্বাচিত হলেন যারা

24

রংপুর বার্তা ডেস্ক: দ্বিতীয় ধাপে দেশের ১৬ জেলার ১১৬ উপজেলায় উপজেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণ চলে।ভোট গণনা শেষে বিভিন্ন উপজেলা বেসরকারি ভাবে নির্বাচিত হলেন যারা।

রংপুর:
রংপুরের ৮টি উপজেলার মধ্যে ৬টিতে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। কাউনিয়া ও গঙ্গাচড়া উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে অন্য প্রার্থী না থাকায় আওয়ামী লীগ মনোনীত আনোয়ারুল ইসলাম মায়া ও রুহুল আমিন দুই প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন।

বাকী ৪ উপজেলায় আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থী ৩টিতে এবং জাতীয় পার্টি (এরশাদ) মনোনীত প্রার্থী ১টিতে বেসরকারিভাবে জয়লাভ করেন।

বদরগঞ্জ উপজেলায় দ্বিতীয় বারের মতো আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী ফজলে রাব্বী সুইট ৫৮হাজার ৩০১ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী সাবেক বিএনপি নেতা সাইদুল ইসলাম (মোটর সাইকেল) পেয়েছেন ৬হাজার ৮০০ ভোট। ফজলে রাব্বী সুইট ২০১৪ সালে প্রথম উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন।

তারাগঞ্জে দ্বিতীয় বারের মতো আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী আনিছুর রহমান লিটন ৪২ হাজার ৩৭২ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী শাহীনুর রহমান মার্শাল পেয়েছেন ১৮হাজার ৯২২ ভোট। লিটন ২০১৪ সালে প্রথম উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন।

পীরগাছা উপজেলায় জাতীয় পার্টির আবু নাসের শাহ্ মো. মাহবুবার রহমান ৫৫হাজার ৮৬০ ভোট পেয়ে দ্বিতীয় বারের মতো চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামীলীগ মনোনীত আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ মিলন পেয়েছেন ৪০ হাজার ৯৫৭ ভোট। শাহ্ মাহবুবার রহমান ২০০৮ সালে প্রথম উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন।

পীরগঞ্জ উপজেলায় আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী নুর মোহাম্মদ মন্ডল ৭৩ হাজার ১৯ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী মোকাররম হোসেন চৌধুরী জাহাঙ্গীর পেয়েছেন ২৭ হাজার ৯০৯ ভোট।

নুর মোহাম্মদ মন্ডল ২০১৪ সালে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে তিনি বিএনপি ছেড়ে আওয়ামী লীগে যোগ দেন।

এছাড়া উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে বদরগঞ্জ উপজেলায় তাজুল ইসলাম, তারাগঞ্জে গোলাম ছাইদেল কাওনাইন, পীরগঞ্জে শফিউর রহমান মন্ডল, পীরগাছায় আরিফুল হক লিটন, কাউনিয়ায় আব্দুর রাজ্জাক এবং গঙ্গাচড়ায় সাংবাদিক সাজু মিয়া লাল বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন ।

মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে বদরগঞ্জে নাজমা জাহানুর, তারাগঞ্জে সাবিনা ইয়াসমিন, পীরগঞ্জে শিরিনা খাতুন, পীরগাছায় বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় তানজিনা আফরোজ, কাউনিয়ায় আঙ্গুরা বেগম এবং গঙ্গাচড়া উপজেলায় রাবিয়া বেগম ।

ছয় উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে ১৪ জন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ২৯ জন এবং মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ২৫ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।

রংপুরের বাকি দুই উপজেলা মিঠাপুকুর ও সদর উপজেলায় আগামী ২৪ মার্চ ততৃীয় ধাপে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

ঠাকুরগাঁও
ঠাকুরগাঁওয়ে সদর উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের প্রার্থী অরুনাংশু দত্ত টিটো (নৌকা মার্কা) ১ লাখ ২৬ হাজার ১২৭ ভোট, পীরগঞ্জ উপজেলায় আওয়ামী লীগের প্রার্থী আখতারুল ইসলাম (নৌকা মার্কা) ৫৮ হাজার ৭২ ভোট, হরিপুর উপজেলায় আওয়ামী লীগের প্রার্থী জিয়াউল হাসান মুকুল (নৌকা মার্কা) ৩৫ হাজার ১৬ ভোট, বালিয়াডাঙ্গী উপজেলায় স্বতন্ত্র প্রার্থী আলী আসলাম জুয়েল (মোটর সাইকেল) ৩৬ হাজার ১৯৬ ভোট এবং রানীশংকৈল উপজেলায় স্বতন্ত্র প্রার্থী শাহরিয়ার আজম মুন্না (মোটর সাইকেল) ৫২ হাজার ৯১৫ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।

গাইবান্ধা
গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলায় একে এম মোকছেদ চৌধুরী বিদ্যুৎ ৫৬ হাজার ৯৪৭ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রার্থী জাতীয় পার্টির মোঃ মমতাজ উদ্দীন পেয়েছেন ১০ হাজার ৩৮০ ভোট।

সাদুল্লাপুর উপজেলায় আওয়ামী লীগের শাহরিয়ার কবির বিপ্লব ৩২ হাজার ৭৭৯ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম স্বতন্ত্র আবু সাদাত শাহ মো. ফজলুল হক পেয়েছেন ৩০ হাজার ৫৬০ ভোট।

সাঘাটা উপজেলায় আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর কবীর ৪৫ হাজার ৯৭১ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম আওয়ামী লীগের এস এম সামশীল আরেফিন পেয়েছেন ৪০ হাজার ৭০০ ভোট।

খাগড়াছড়ি
খাগড়াছড়িতে আওয়ামী লীগ ৬টি এবং স্বতন্ত্র ১টি উপজেলার চেয়ারম্যান বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছে। জেলার পানছড়ি উপজেলায় ৩টি কেন্দ্রে ভোট স্থগিত করা হয়েছে।

জেলায় নির্বাচিতরা হলেন- মাটিরাঙ্গায় রফিকুল ইসলাম (আ.লীগ), রামগড়ে বিশ্ব প্রদীপ ত্রিপুরা (আ.লীগ), লক্ষীছড়িতে বাবুল চৌধুরী (আ.লীগ), মহালছড়িতে বিমল কান্তি চাকমা (স্বতন্ত্র-জনসংহতি সমিতি-এমএন লারমা সমর্থিত), দীঘিনালায় মো. কাসেম (আ.লীগ) বেসরকারিভাবে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন।

এছাড়া বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিতরা হলেন- খাগড়াছড়ি সদরের শানে আলম (আ.লীগ) ও মানিকছড়িতে জয়নাল আবেদীন (আ.লীগ)।

পাবনা
পাবনার ৯ উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে বেসরকারিভাবে আওয়ামী লীগের ৪ জন এবং স্বতন্ত্র থেকে সমান সংখ্যক ৪ প্রার্থী নির্বাচিত হয়েছেন।

ঈশ্বরদী উপজেলা : ঈশ্বরদী উপজেলায় আওয়ামী লীগের নুরুজ্জামান বিশ্বাস (নৌকা প্রতীকে) ৪১ হাজার ৯০৫ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মকলেছুর রহমান মিন্টু স্বতন্ত্র(আনারস প্রতীকে) পেয়েছেন ১৯ হাজার ২৩৭ ভোট।

আটঘরিয়া উপজেলা: এ উপজেলায় স্বতন্ত্র প্রার্থী কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক উপ-সম্পাদক তানভীর ইসলাম (মোটর সাইকেল প্রতীকে) ২৭ হাজার ১৫৯ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ইশারত আলী স্বতন্ত্র (আনারস প্রতীকে) পেয়েছেন ১৬ হাজার ২৪৬ ভোট।

চাটমোহর উপজেলা: এ উপজেলায় পাবনা জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আলহাজ্ব আবদুল হামিদ মাস্টার স্বতন্ত্র (ঘোড়া প্রতীকে) ৪২ হাজার ৮০৮ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন সাখো (নৌকা প্রতীকে) পেয়েছেন ৩৮ হাজার ১১০ ভোট।

ভাঙ্গুড়া উপজেলা: এ উপজেলায় পাবনা জেলা আওয়ামী লীগের মো. বাকিবিল্লাহ (নৌকা প্রতীকে) ৩৫ হাজার ৩৪৯ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মোস্তফিজুর রহমান মন্টু (লাঙ্গল প্রতীকে) পেয়েছেন ২ হাজার ৩৪৯ ভোট।

ফরিদপুর উপজেলা: এ উপজেলায় গোলাম হোসেন গোলাপ স্বতন্ত্র (আনারস মার্কা) প্রতীকে পেয়েছেন ২৫ হাজার ৭৮০ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী খলিলুর রহমান আওয়ামী লীগ প্রার্থী (নৌকা প্রতীকে) পেয়েছেন ১৪ হাজার ০৫৯ ভোট ।

বেড়া উপজেলা: এ উপজেলায় আওয়ামী লীগের আব্দুল কাদের (নৌকা প্রতীকে) ৩১ হাজার ২০৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী আফজাল হোসেন (আনারস প্রতীকে) পেয়েছেন ১৪ হাজার ২৪০ ভোট।

সাঁথিয়া উপজেলা: এ উপজেলায় আওয়ামী লীগের আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ দেলোয়ার (নৌকা প্রতীকে) ৪৭ হাজার ৮৪০ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের আবু তালেব প্রামানিক স্বতন্ত্র প্রার্থী (ঘোড়া প্রতীকে) পেয়েছেন ১০ হাজার ৫৭৩ ভোট।

এর আগে পাবনা সদর উপজেলায় মোশারোফ হোসেন ও সুজানগর উপজেলায় শাহীনুজ্জামান শাহীন আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন।

নওগাঁ
নওগাঁর ১০টি উপজেলার ছয়টিতে আওয়ামী লীগ এবং চারটিতে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থীরা জয়ী হয়েছেন। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী না থাকায় আগেই নওগাঁ সদর উপজেলায় আওয়ামী লীগের প্রার্থী রফিকুল ইসলামকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়েছে। ফলে নওগাঁর ১১টি উপজেলার সাতটিতে আওয়ামী লীগ ও চারটিতে বিদ্রোহী প্রার্থী বিজয়ী হন।

নিয়ামতপুর উপজেলায় বিজয়ী হয়েছেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ফরিদ আহমেদ নৌকা প্রতীক নিয়ে। পোরশা উপজেলায় আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি শাহ্ মঞ্জুর মোরশেদ চৌধুরী বিজয়ী হয়েছেন (আনারস)। সাপাহারে বিজয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহজাহান হোসেন (আনারস)। পত্নীতলায় আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল গাফফার (নৌকা) বিজয়ী হয়েছেন।

ধামইরহাটে বিজয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আজাহার আলী (নৌকা)। মহাদেবপুরে আওয়ামী লীগের প্রার্থী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আহসান হাবীব (নৌকা) বিজয়ী হয়েছেন। মান্দায় বিজয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জসিম উদ্দীন (নৌকা)।

বদলগাছীতে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক কোষাধ্যক্ষ সামসুল আলম খান (ঘোড়া) বিজয়ী হয়েছেন। আত্রাইয়ে আওয়ামী লীগের প্রার্থী উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি এবাদুর রহমান প্রামাণিক (নৌকা) বিজয়ী হয়েছেন। রাণীনগরে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহ-সভাপতি আনোয়ার হোসেন হেলাল (মোটরসাইকেল)।

বান্দরবান
বান্দরবানে ৭ টি উপজেলার মধ্যে ৬টিতেই আওয়ামী লীগের চেয়ারম্যান প্রার্থীরা বিজয়ী হয়েছেন।

বান্দরবান সদর থেকে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী এ কে এম জাহাঙ্গীর নৌকা প্রতীকে ১৫ হাজার ৩৫৪ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ও বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুল কুদ্দুছ পেয়েছেন ৯ হাজার ২৯৬ ভোট।

রোয়াংছড়ি উপজেলা আওয়ামী লীগ প্রার্থী নৌকা প্রতীকে চহাই মং মারমা বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন ৭ হাজার ৯২৬ ভোটে। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জনসংহতি সমিতি থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী ক্যবামং পেয়েছেন ৪ হাজার ৬৬৩ ভোট।

রুমা উপজেলাতেও বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগ প্রার্থী উহ্লাচিং মারমা। নৌকা প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ৫ হাজার ৫৬০ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জনসংহতি সমিতি থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী অংথোয়াইচিং মারমা আনারস প্রতীকে পেয়েছেন ৪ হাজার ৯৭৫ ভোট।

এদিকে থানচিতে আওয়ামীলীগ প্রার্থী থোয়াইহ্লামং মারমা নৌকা প্রতীকে ৫ হাজার ৮৬১ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। নিকতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী ক্যহ্লাচিং মারমা হেলিকপ্টার প্রতীকে পেয়েছেন ৩ হাজার ২৩৪ ভোট।

লামায় আওয়ামী লীগ প্রার্থী মোস্তফা জামাল নৌকা প্রতীকে ৪৭ হাজার ২ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী মো. আলমগীর পদ্মফুল প্রতীকে ৩৪০ ভোট পেয়েছেন।

নাইক্ষ্যংছড়িতেও নৌকা প্রতীতে আওয়ামী লীগ প্রার্থী শফিউল্লাহ ১২ হাজার ১৩০ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকতম স্বতন্ত্র প্রার্থী আবু তাহের মোটরসাইকেল প্রতীকে পেয়েছেন ৮ হাজার ৬২১ ভোট।
বিস্তারিত..